logo

গ্রাম-গঞ্জ-শহর

ভোটে তারুণ্যের জয়গান

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পারা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। এত সংগ্রাম,এত ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছি

নির্বাচন ডেস্ক
Printed Edition

দীর্ঘ ১৭ বছর পর এক নতুন ভোরের সাক্ষী হলো বাংলাদেশ। জেন-জেড বা ‘প্রজন্ম জেমিনি’র হাত ধরে যে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, আজ তার প্রতিফলন ঘটছে ব্যালট পেপারে। ফ্যাসিবাদের দীর্ঘ ছায়া মাড়িয়ে প্রথমবার ভোট দিতে আসা তরুণদের চোখে-মুখে এখন বিজয়ের আভা আর আগামীর দায়বদ্ধতা।

সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোর দীর্ঘ সারিতে চোখে পড়ছে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য। যেখানে বয়োজ্যেষ্ঠদের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছে হাজারো তরুণ-তরুণী। এদের বিশাল একটি অংশ ‘ফার্স্ট টাইম ভোটার’। আবু সাঈদ আর মুগ্ধদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত এই স্বাধীন পরিবেশে নিজেদের প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে তারা আবেগাপ্লুত।

মাহিন সুলতানা

শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোট দিতে পারা আমার জন্য ছিল অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত। এত সংগ্রাম,এত ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছি, এটি ছিল একটি আলাদা অনুভূতি। যা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। ভোট কেন্দ্রের পরিবেশ ছিল অত্যন্ত উৎসবমুখর। যদিও নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছিল তব্ওু প্রত্যেক ভোটারদের মধ্যে এক ধরণের আনন্দের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। পরবর্তী সরকারের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে তারা যেন একটি আধুনিক ও কর্মসংস্থানমুখী দেশ গড়ে তোলে। যেখানে কোনো বৈষম্য থাকবে না, কোনো দুনীতি থাকবে না, কোনো ক্ষমতার অপব্যবহার হবে না। যেখানে শাসক শোষণ করবে না বরং জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। সবশেষে একটি শান্তিময়,বৈষম্যহীন ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিজয়ী সরকার কাজ করবে এটাই এজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমাদের চাওয়া।