logo

গ্রাম-গঞ্জ-শহর

কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, শতাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

কালিয়াকৈরে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে ৫৫ জনের নামসহ মামলা; যুবলীগের এক কর্মী গ্রেপ্তার।

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর

Location :

Gazipur
ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় নাশকতা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে।

মামলায় পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর কাউন্সিলর মোঃ খাত্তাব মোল্লাকে প্রধান আসামি করে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের ৫৫ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তৌহসিফ শাহরিয়ার নামে যুবলীগের এক কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের জোড়াপাম্প এলাকার মদিনা কারখানার সামনে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী একটি ঝটিকা মিছিল বের করেন। মিছিলটি পল্লীবিদ্যুৎ বাজার হয়ে দেওয়ান প্লাজার সামনে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মিছিলকারীরা দ্রুত সেখান থেকে সরে যান।

ঘটনার পর মিছিলের প্রতিবাদে রাতে কালিয়াকৈর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলসহ দলটির বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

পুলিশ জানায়, ঝটিকা মিছিলের ভিডিও ফুটেজ সংগ্রহ ও যাচাই করে জড়িতদের শনাক্তের পর বৃহস্পতিবার সকালে কালিয়াকৈর থানার এসআই মাসুদ রানা বাদী হয়ে নাশকতার চেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন। মামলায় খাত্তাব মোল্লাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্র আরও জানায়, মামলার পর অভিযুক্তদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাতে তৌহসিফ শাহরিয়ারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

অভিযুক্ত খাত্তাব মোল্লার বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ক্ষুদে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

কালিয়াকৈর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, 'কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদেরও শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।'

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই করে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।