logo

অপরাধ

সিলেটে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বন্ধুর

সিলেট নগরীর রায়নগর দপ্তরীপাড়ায় স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের জেরে জুয়েল নামে এক যুবককে খালের পানিতে ফেলে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছেন তার বন্ধু হাবিল। ঘটনার পর স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত হাবিলকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে এবং পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুটি উদ্ধার করেছে।

অনলাইন ডেস্ক

Location :

Sylhet

সিলেট নগরীর রায়নগর দপ্তরীপাড়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার (৩১ মে) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় অভিযুক্ত যুবককে আটক করে পুলিশ।

নিহত জুয়েল ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার সিধলা ইউনিয়নের ভেরা গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। তিনি নগরীর কোতোয়ালী থানাধীন রায়নগর দপ্তরীপাড়ার সাকেরের কলোনিতে বসবাস করতেন।

পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অভিযুক্ত নিহতের বন্ধু মো. হাবিল (২৫)-কে আটক করেছে। তিনি শাহপরাণ (রহ.) থানার বালুচর এলাকার মো. আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানা যায়, জুয়েল ও হাবিল ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। রোববার (৩১ মে) সকাল ১১টার দিকে জুয়েল ও হাবিলের মধ্যে পূর্ব শত্রুতার জেরে বাগবিতণ্ডা ও পরে মারামারির ঘটনা ঘটে। এক পর্যায়ে হাবিল জুয়েলকে পাশের গোয়ালীছড়া খালে ফেলে ধারালো সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে গলা, বুক ও পিঠে এলোপাথাড়ি আঘাত করে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় জুয়েলকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের প্রাথমিক বিজ্ঞাসাবাদে হামলাকারী হাবিল দাবি করেন, বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে জুয়েল তার স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। একাধিকবার নিষেধ করা সত্ত্বেও সে থামেনি। এর জের ধরে দুই বন্ধু প্রথমে স্থানীয় মইন মাস্টারের কলোনির সামনে মারামারি শুরু করেন। পরে তাকে টেনে-হিঁচড়ে খালের পানিতে ফেলে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেন।

ঘটনার পর এলাকাবাসী অভিযুক্ত হাবিলকে আটক করে গণধোলাই দেয়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় এবং চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। ঘটনাস্থল থেকে ব্যবহৃত চাকুটিও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) মো. মনজুরুল আলম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জনতার কাছ থেকে হাবিলকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।