logo

জাতীয়

শোবার ঘরের ছাদ চুইয়ে পানি পড়ে বাটি দিয়ে আটকে রাখেন ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদ ভবনের পবিত্র মসজিদ ও বিভিন্ন কক্ষের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ।

সংসদ রিপোর্টার
Printed Edition

জাতীয় সংসদ ভবনের পবিত্র মসজিদ ও বিভিন্ন কক্ষের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ সময় পানি পড়ার সত্যতা স্বীকার করতে গিয়ে নিজের ঘরের করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন স্বয়ং ডেপুটি স্পিকার।

তিনি জানিয়েছেন, বৃষ্টির দিনে তার নিজের শোবার ঘরের ছাদ থেকেও পানি পড়ে এবং তা বাটি দিয়ে আটকে রাখতে হয়।

গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের ২৩তম দিনে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়টি সংসদের নজরে আনেন হুইপ জি কে গউছ।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

হুইপ জি কে গউছ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, ‘যে ফোরামে সংসদ সদস্যরা অধিবেশন করছেন, ঠিক তার ওপরের তলাতেই রয়েছে মসজিদ।

সেখানে অসংখ্য মুসলিম সংসদ সদস্য নামাজ আদায় করেন। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় হলো, বর্তমানে মসজিদের সামনে সারিবদ্ধভাবে বালতি দিয়ে রাখা হয়েছে, কারণ ছাদ ফেটে অনবরত বৃষ্টির পানি ভেতরে প্রবেশ করছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যেখানে সংসদ ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বিশাল বাজেট অনুমোদন করেছে, সেখানে মসজিদের এই করুণ দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। অবিলম্বে ছাদ মেরামতের জোর দাবি জানান হুইপ জি কে গউছ।

তার বক্তব্যের পর ডেপুটি স্পিকার দুঃখ প্রকাশ করে রসিকতার ছলে বলেন, ‘আমরাও জেনেছি সংসদের ছাদ থেকে পানি পড়ে। কষ্টের কথা কাকে বলব, আমি আমার নিজের ঘরে ঘুমাতে গেলেও ছাদের ওখানে বাটি দিয়ে রাখি। সংসদ ভবনে আমার বাড়িতেও একই অবস্থা।’

এরপর সংসদ কার্য পরিচালনাকারী চিফ হুইপ জানান, বিষয়টি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। গতকালই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। ভবনের যেসব জায়গা থেকে পানি পড়ছে, তা মেরামতের কাজ গতকাল থেকেই শুরু করেছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পরে গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী দাঁড়িয়ে জানান, চিফ হুইপ বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই মন্ত্রণালয়ের মনোযোগ আকর্ষণ করেছেন। ভবনের ছাদ সংস্কারে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং খুব দ্রুতই এর স্থায়ী প্রতিকার করা হবে।