logo

রাজনীতি

নোয়াখালীতে ডা. শফিকুর রহমান

ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যারা অপকর্মে জড়িয়ে পড়ে তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা অনেকেই মজলুম ছিলাম। যারা ধৈর্য ধরতে পারেননি, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন ক্ষমতায় যাওয়ার আগে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।

জেলা সংবাদদাতা

Location :

Noakhali
আজ শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: বাসস
আজ শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: বাসস

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা অনেকেই মজলুম ছিলাম। যারা ধৈর্য ধরতে পারেননি, বিভিন্ন অপকর্মে জড়িয়ে পড়েছেন ক্ষমতায় যাওয়ার আগে, তাদের হাতে দেশ নিরাপদ নয়।

আজ শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী জিলা স্কুল মাঠে নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের প্রতি ইঞ্চি মাটিকে আমরা ভালোবাসি, প্রতিটা মানুষকে আমরা ভালোবাসি। এদেশের প্রতিটা ধর্মের লোক আমাদের। আমরা চাঁদাবাজি করিনি। আমাদের হামলা-মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। আমরা কাউকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করিনি। আমরা মামলা বাণিজ্য করিনি।

noakhali

দেশের যুবসমাজের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যুবকদের হাতে আমরা বেকার ভাতা দিতে চাই না, তাদের হাতে দেশ তুলে দেবো। তারা হবে আগামী দিনের বাংলাদেশের পাইলট, আমরা হবো তাদের প্যাসেঞ্জার।

নোয়াখালী অঞ্চলের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট ক্ষমতায় এলে নোয়াখালীর সুবর্ণচরকে পৌরসভায় রূপান্তরিত করা হবে।

ডা. শফিকুর রহমান আরো বলেন, এগারো দলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে নোয়াখালীকে বিভাগ করা হবে। তিনি বলেছেন, ‘নোয়াখালীর অনেকগুলো ন্যায্য দাবি আছে। আমি সেই দাবিগুলো এখানে পেয়েছি। নোয়াখালীবাসী বিভাগ চায়, সিটি কর্পোরেশন চায়। আমরা ক্ষমতায় গেলে ইনসাফের মাধ্যমে আপনাদের এই প্রাণের দাবিগুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ।’

ডা. শফিকুর রহমান নোয়াখালীর উন্নয়নে ৬টি সুনির্দিষ্ট দাবির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘নোয়াখালী বিভাগ ও সিটি কর্পোরেশনের দাবির পাশাপাশি হাতিয়া-কোম্পানীগঞ্জ-সুবর্ণচর নদী ভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ, কোম্পানীগঞ্জ-ছোট ফেনী নদীতে ক্লোজার নির্মাণ এবং সোনাপুর থেকে হাতিয়া চেয়ারম্যানঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ করা হবে।’

সুবর্ণচরের এক নির্যাতিতা মায়ের স্মরণে তিনি বলেন, ‘সুবর্ণচরে একজন দুখিনী মা, যাকে হায়েনারা কষ্ট দিয়েছিল ধানের শীষে ভোট দেওয়ার কারণে, ওই মায়ের সম্মানে সেখানে আমরা নির্বাচিত হলে পৌরসভা করব ইনশাআল্লাহ।’

নির্বাচন ও প্রতীক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১২ তারিখ দুটি ভোট হবে। প্রথম ভোটটি হবে সংস্কার ও আজাদীর পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট। আর দ্বিতীয় ভোটটি হবে ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির পক্ষে।’

এর আগে সকাল ৯টায় জেলা জামায়াতের আমির ও নোয়াখালী-৪ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মো. ইসহাক খন্দকারের সভাপতিত্বে জনসভা শুরু হয়। এ সময় বক্তব্য দেন স্থানীয় জামায়াত ও ১১ দলীয় জোটের নেতারা।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাছুম, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু. মুতাসিম বিল্লাহ শাহেদী, তথ্য সম্পাদক মুহাম্মাদ সায়েদ সুমনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।