logo

শিল্প ও বাণিজ্য

৩০ বছরের ইজারায় প্রাণ-আরএফএলের হাতে গেল দুই জুট মিল

বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি জুট মিল ৩০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি জুট মিল ৩০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।
রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি জুট মিল ৩০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) নিয়ন্ত্রণাধীন রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি জুট মিল ৩০ বছরের জন্য ইজারা পেয়েছে দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। ইজারার আওতায় মিল দুটির জমিতে আধুনিক ও বহুমুখী শিল্পকারখানা গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ইজারা পাওয়া মিল দুটি হলো খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার চাঁদনীমহলে অবস্থিত স্টার জুট মিলস লিমিটেড এবং সিরাজগঞ্জের রায়পুরে অবস্থিত জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড।

চুক্তি অনুযায়ী, খুলনার স্টার জুট মিলের ৪৫ দশমিক ৯৯ একর এবং সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলের ৩৭ দশমিক ৯৭ একর জমি ইজারার আওতায় থাকবে।

সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলসের জায়গায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে বহুমুখী শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ।

এখানে নিটওয়্যার, ওভেন গার্মেন্টস, ডেনিম পণ্য, জ্যাকেট, ওয়াশিং প্ল্যান্ট, হস্তশিল্প, ব্যাগ, ফুটওয়্যার ও খেলনাসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদন করা হবে। পাশাপাশি আধুনিক কাঁচামাল ব্যবস্থাপনা, প্যাকেজিং এবং পণ্য সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৬ হাজার ৫০০ মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারখানাটি থেকে বছরে প্রায় ৬০০ কোটি টাকা টার্নওভার হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে খুলনার স্টার জুট মিলসের জমিতে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও আধুনিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে।

এই কারখানায় মূল্য সংযোজিত পাটজাত পণ্য, ফার্নিচার ও মিডিয়াম ডেনসিটি ফাইবার (এমডিএফ) বোর্ডসহ বিভিন্ন পণ্য উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া কাঁচামাল, প্যাকেজিং ও প্রস্তুত পণ্য সংরক্ষণের জন্য আধুনিক সুবিধাও স্থাপন করা হবে।

প্রকল্পটি চালু হলে প্রায় ৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হতে পারে। এ কারখানা থেকে বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের প্রত্যাশা রয়েছে।

দুটি জুট মিলকে কেন্দ্র করে মোট প্রায় ৭৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ১১ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

রাষ্ট্রায়ত্ত দুটি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে বহুমুখী উৎপাদন, রপ্তানিমুখী শিল্প এবং কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।