logo

বিজ্ঞান

ব্রিতে জলবায়ু সহনশীল ধান নিয়ে কর্মশালা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ‘ফিড দ্য ফিউচার ইনোভেশন ল্যাব ফর সিরিয়ালস’-এর যৌথ উদ্যোগে ধানের তাপ সহনশীলতা ও অক্সিজেনবিহীন অঙ্কুরোদ্গম বিষয়ক জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্য নিয়ে এক প্রারম্ভিক ও পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর

Location :

Gazipur
ছবি: সংগৃহীত

জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে অধিক উৎপাদনশীল ও সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ‘ফিড দ্য ফিউচার ইনোভেশন ল্যাব ফর সিরিয়ালস’ কর্মসূচির যৌথ উদ্যোগে ধানের তাপ সহনশীলতা ও অক্সিজেনবিহীন অঙ্কুরোদ্গম (Anaerobic Germination) বিষয়ক দুটি অগ্রাধিকার প্রকল্পের প্রারম্ভিক ও পরিকল্পনা কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গাজীপুরে ব্রি সদর দপ্তরের প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সে আয়োজিত এ কর্মশালার অর্থায়ন করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. মো. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. আমিনুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস এঅ্যান্ডএম বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএম বিচেল রাইস চেয়ার অধ্যাপক ড. মাইকেল থমসন এবং রাইস জেনেটিক্স অ্যান্ড জিনোমিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এনডাং সেপটিনিংসি।

স্বাগত বক্তব্য দেন ব্রির উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ও বিভাগীয় প্রধান ড. খোন্দকার মো. ইফতেখারুদ্দৌলা। সমাপনীতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, কুমিল্লার চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার ও প্রধান ড. মোহাম্মদ এখলাছুর রহমান। কর্মশালায় ব্রির বিভিন্ন বিভাগের প্রধান এবং সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় ধানের তাপ সহনশীলতা এবং অক্সিজেনবিহীন অঙ্কুরোদ্গম বিষয়ক অগ্রাধিকার প্রকল্পের পরিকল্পনা, কার্যপরিধি, গবেষণার অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় বৈশিষ্ট্য শনাক্তকরণ, যাচাইকরণ, উন্নত জার্মপ্লাজম স্থানান্তর, মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন এবং প্রযুক্তি সম্প্রসারণের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাড়তে থাকা তাপমাত্রা ও আকস্মিক জলাবদ্ধতার মতো প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকতে সক্ষম ধানের নতুন জাত উদ্ভাবনে এই যৌথ গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হওয়ার পাশাপাশি কৃষকদের জলবায়ুজনিত ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।